Friday, June 22, 2018

নাইজেরিয়া'র জয়ে টিকে রইলো আর্জেন্টিনার নক আউট পর্বে যাওয়ার আশা।

নাইজেরিয়া'র জয়ে টিকে রইলো আর্জেন্টিনার নক আউট পর্বে যাওয়ার আশা।



মুসার জোড়া গোলে আইসল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারাল নাইজেরিয়া ।

জমে উঠেছে Group D ! ২ টা করে ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে আছে  ক্রোয়েশিয়া এবং নাইজেরিয়া ! 

আর্জেন্টিনাকে নিজেদের শেষ ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে জিততে হবে। সেই সঙ্গে নির্ভর করতে হবে অন্য দুই ম্যাচের ফলের ওপর। আগুয়েরো শেষ ম্যাচ জয়ের চেষ্টার প্রতিশ্রুতি দিলেন।



Tuesday, June 19, 2018

এবার কলম্বিয়া'কে হারালো জাপান !

এবার কলম্বিয়া'কে হারালো জাপান !



এশিয়ার কোনো দেশ বিশ্বকাপে এই প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দেশকে হারাল।

'এইচ' গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলে জেতে জাপান। এ জয়ে গত ব্রাজিল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কলম্বিয়ার কাছে ৪-১ গোলে হারের মধুর প্রতিশোধও নিল এশিয়ার দলটি।

খেলার ষষ্ঠ মিনিটে শিনজি কাগাওয়ার সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় জাপান। ৩৯ মিনিটে অবশ্য সেই গোল ফিরিয়ে দিয়েছিলেন হুয়ান কিন্তেরো। ৭৩ মিনিটে দারুণ এক হেডে ইয়ুয়া ওসাকা জাপানকে এগিয়ে দিলেন আরেকবার। সেই অগ্রগামিতা ধরে রেখেই ম্যাচ শেষ করেছে এশিয়ার দলটি।



ফলাফল : জাপান ২-১ কলম্বিয়া 


ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা। নতুন মুখ আবু জায়েদ ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা। নতুন মুখ আবু জায়েদ ।



ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ সামনে রেখে আজ বিসিবি  দল ঘোষণা করেছে  । ১৫ জনের দলে চমক বলতে আবু জায়েদ। ২৪ বছর বয়সী পেসার এর আগে টি-টোয়েন্টি দলে থাকলেও এবারই প্রথম সুযোগ পেয়েছেন টেস্ট দলে।

তবে দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে দেড় বছর আগে হটাৎ সুযোগ পেয়ে একমাত্র টেস্ট খেলা নাজমুল হোসেন শান্ত । অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করে প্রথম খবরের শিরোনাম হওয়া  এরপর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে ,যুব ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড। হাই পারফরম্যান্স ও 'এ' দলে আলো ছড়িয়ে ,বয়সভিত্তিক পর্যায় থেকে সব ধাপ পার হয়ে, পারফর্ম করে, মোটামুটি প্রস্তুত হয়ে তিনি এলেন টেস্ট দলে।

তাকে নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটেই বেশি আশা বাংলাদেশের। ধ্রুপদি একজন টেস্ট ব্যাটসম্যান পাওয়ার স্বপ্ন পূরণের অন্যতম বাজি তিনি।



এছাড়াও টেস্ট দলে ফেরানো হয়েছে কামরুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, রুবেল হোসেন,ও নুরুল হাসান'কে।

টেস্ট দলে জায়গা হারিয়েছেন সাব্বির রহমান ও মোসাদ্দেক হোসেন।

দুটি টেস্ট এবং তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে আগামী ২৩ জুন ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ দল।
আগামী ৪ জুলাই অ্যান্টিগায় শুরু হবে প্রথম টেস্ট। জ্যামাইকায় ১২ জুলাই শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

বাংলাদেশ টেস্ট দল
সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, লিটন দাস, মুমিনুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, নুরুল হাসান, আবু জায়েদ চৌধুরী, নাজমুল হোসেন ও শফিউল ইসলাম।




Sunday, June 17, 2018

চিত্রপরিচালক গোলরক্ষক আটকে দিলেন মেসিকে

চিত্রপরিচালক গোলরক্ষক আটকে দিলেন মেসিকে




এক জন ম্যাচের পরে মাথা নিচু করে মাঠে দাঁড়িয়ে। অন্য জনকে ম্যাচ চলার সময় দেখা গিয়েছে, কখনও হতাশায় মাথায় হাত দিচ্ছেন। কখনও চোখ মুছছেন।

দুই কিংবদন্তি। শনিবার মস্কোর স্পার্টাক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা বনাম আইসল্যান্ড ম্যাচের পরে যাঁদের এক বিন্দুতে নিয়ে এল একটা শব্দ— যন্ত্রণা। তাঁরা, লিয়োনেল মেসি এবং দিয়েগো মারাদোনা।

রাশিয়া বিশ্বকাপ সবে তৃতীয় দিনে পা দিয়েছে। কিন্তু এই তিন দিনেই নাটকীয়তা যেন উপচে পড়ছে। তৃতীয় দিনে দেখা গেল মেসির পেনাল্টি ফস্কানো। টিভি-তে দেখা গিয়েছে, আর্জেন্টিনার খেলা দেখতে দেখতে চোখ মুছছেন মারাদোনা।  




যে পেনাল্টি ফস্কানোর সঙ্গে সঙ্গে ফুটবল দুনিয়ার পাশাপাশি ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। বলা হচ্ছে, ৩৪ বছর বয়সি এক জন চিত্রপরিচালককেও হার মানাতে পারলেন না মেসি। চিত্রপরিচালক মানে এখানে আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক হ্যাননেস থর হ্যালদরসন। যিনি এক জন চিত্রপরিচালকেও।

মেসির পেনাল্টি আটকে দেওয়ার পিছনে কতটা ভাগ্য আর কতটা প্রস্তুতি? হ্যাল়দরসন বলেছেন, ''প্রথম ম্যাচেই মেসির পেনাল্টি কিক বাঁচাব, এটা স্বপ্নেই সম্ভব। তবে আমি অনেক প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলাম। মেসির পেনাল্টি মারার ভিডিয়ো দেখে তৈরি হয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল, কিকটা মেসি ও দিকেই নেবে।''

আর এল এম টেন কী বলছেন? ম্যাচের পরে মেসির প্রতিক্রিয়া, ''পেনাল্টি ফস্কানোটা সত্যিই খুব যন্ত্রণার।'' তিনি আরও বলেন, ''তিন পয়েন্ট না পাওয়ার জন্য আমিই দায়ী। ওই সময় পেনাল্টিেত গোলটা হয়ে গেলে পুরো ছবি বদলে যেত।'' তবে মেসি এও বলেছেন, ''এই ম্যাচ ড্র করলেও আশা ছাড়ছি না। আমাদের পরের ম্যাচের জন্য ৈতরি হতে হবে।''


আজ মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, নয়্যার নিয়ে স্বস্তি

আজ মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, নয়্যার নিয়ে স্বস্তি

মেক্সিকোর বিরুদ্ধে বিশ্বসেরাদের কাপ অভিযান শুরুর চব্বিশ ঘণ্টা আগেও জার্মানির কোচ ওয়াকিম লো বলতে পারলেন না, তাঁর প্রথম এগারো কী হবে। ''দলের সব ফুটবলার সুস্থ। মেসুত ওজিল এই সপ্তাহে দু'বার বাড়তি অনুশীলন করেছে। আজ রাতে চূড়ান্ত দল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব। আসলে এখনও কয়েকটা জায়গা নিয়ে ভাবছি,'' সাংবাদিক বৈঠকে
বললেন লো।

মেক্সিকোর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মানুয়েল নয়্যারই গোলরক্ষা করবেন কি না জানতে চাওয়া হলে লো-র জবাব, ''নয়্যারকে নিয়ে আমি খুশি। দু'টো ম্যাচ খেলে অনেকটাই ও আত্মবিশ্বাসী। গোলপোস্টের নীচে ওর কথাই ভাবছি।''



ওয়াকিম লো একা নন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি নিয়ে এসেছিলেন তাঁর নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার জুলিয়ান ডাক্সলারকেও। প্যারিস সাঁ জারমাঁ-র এই ফুটবলার বললেন, ''শেষ বিশ্বকাপ দলের অনেক ফুটবলার এ বার নেই। অনেকে অবসর নিয়েছে।। কেউ কেউ সুযোগ পায়নি। কিন্তু অনেকে না থাকলেও, রাশিয়ায় আমরা বেশ কয়েক জন নতুন সম্ভাবনাময়কে নিয়ে এসেছি। সঙ্গে আছে গত বারের বিশ্বজয়ী দলের অনেকেও। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। কোনও দলাদলি-ভাগাভাগি নেই।'' গত বছর কনফেডারেশনস কাপে রাশিয়ায় এই মেক্সিকোকেই ৪-১ হারিয়েছিল জার্মানি। ডাক্সলার কিন্তু মনে করেন না যে সেই জয়ের নিরিখে রবিবারও তাদের ফেভারিট বলা যাবে। তাঁর মন্তব্য, ''বিশ্বকাপের সঙ্গে কনফেডারেশনস কাপের কোনও তুলনাই হতে পারে না। তাই সে বার আমাদের ৪-১ গোলে জেতা নিয়ে বেশি ভাবার কিছু নেই। হতে পারে সে বারের মেক্সিকো দলে অনেক দুর্বলতা ছিল। কিন্তু বিশ্বকাপেও তা থাকবে তার কোনও মানে নেই।''

প্রতিপক্ষ হিসেবে মেক্সিকো যে রীতিমতো আক্রমণাত্মক তা আগেই বলেছিলেন, জার্মান দলের আর এক তারকা জেহোম বোয়াটেং। তাঁর কথায়, ''মেক্সিকো আক্রমণে ঝড় তুলতে অভ্যস্ত। আমাদের বিরুদ্ধেও নিশ্চয়ই সেটাই করবে। এটা মাথায় রেখেই তৈরি থাকব। কিন্তু আমাদের কাছে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, নিজেদের আসল খেলাটা খেলা।'' বলা হচ্ছে, এ বারের জার্মান দলের মতো এতটা ঝামেলায় অতীতে কোনও দল ছিল না। লেরয় সানে, মারিও গোতজেকে বাদ দিয়ে সমালোচিত হয়েছেন ওয়াকিম লো। মেসুত ওজিল, ইলখাই গুন্ডোয়ান তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছবি তুলে বিতর্কে জড়িয়েছেন। যার রেশ এখনও চলছে। ওজিলরা যেখানেই খেলছেন সেখানেই তাঁদের বিদ্রুপের মুখে পড়তে হচ্ছে। বিরক্ত লো কাতর আবেদন  করেছেন জার্মান সমর্থকদের কাছে। বলেছেন, ''অন্তত বিশ্বকাপের সময় যেন ওজিলদের শান্তিতে খেলতে দেওয়া হয়।''

জার্মানির রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার টোনি খোস অবশ্য এ সবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তাঁর পরিষ্কার কথা, ''ফুটবল খেলতে এসেছি। সেটাই খেলব।'' আর বোয়াটেংয়ের কথা, ''আমাদের দরকার আগুন। এই দুটো থাকলেই প্রতিটি ইঞ্চির জন্য আমরা লড়ে যাব। ''

জার্মানির মতোই এ বার অনায়াসে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে মেক্সিকো। এই নিয়ে টানা সাত বার তারা বিশ্বকাপে খেলবে। দলের সব চেয়ে বড় তারকা রাফায়েল মারকুয়েজ এই বিশ্বকাপের পরেই অবসর নেবেন। জার্মানির লোথার ম্যাথুজের মতো তিনিও এই নিয়ে পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলবেন। এ দিকে বিশ্বকাপ শুরুর আগে মেক্সিকোর নয় জন ফুটবলার বিতর্কে জড়ান বিদায়ী পার্টিতে যৌনকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে। অবশ্য মেক্সিকোর জাতীয় ফুটবল সংস্থার কর্তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। উল্টে তাঁদের আশা, এ বারের দলটা খুব খারাপ খেলবে না।     


Saturday, June 16, 2018

গোলরক্ষকদের জন্য আরামদায়ক এক ম্যাচ ।

গোলরক্ষকদের জন্য আরামদায়ক এক ম্যাচ ।

বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দলেরই গোলে শট নিতে না পারার এমন ঘটনা সর্বশেষ দেখা গেছে ২০১৪ সালে। গোলরক্ষকদের জন্য আরামদায়ক এমন এক ম্যাচ সেবার মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলেছিল ক্রোয়েশিয়া।



দুই দল অসংখ্যবার চেষ্টা করে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মোটে দুটি করে শট।কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়ামে শনিবার শুরুর দিকে দূর পাল্লার শটে  নাইজেরিয়ার প্রতিরোধ ভাঙার চেষ্টা করে ক্রোয়েশিয়া। তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অপেক্ষার অবসান হয় ৩২তম মিনিটে। মদ্রিচের কর্নারে ইভান স্ট্রিনিচের হেড খুঁজে পায় মানজুকিচকে। ইউভেন্তুসের এই ফরোয়ার্ডের নিচু হেড চলে যাচ্ছিল বাইরে। কিন্তু নাইজেরিয়ার অঘেনেকারো এতেবোর পায়ে লেগে দিক পাল্টে বল জড়ায় জালে। নাইজেরিয়ার জালে গত বিশ্বকাপের শেষ গোলটিও ছিল আত্মঘাতী।



একটি কর্নারের সময় মানজুকিচকে উইলিয়ামস ট্রস্ট-একং পিছন থেকে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে রাখলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পোস্ট ঘেঁষে গড়ানো জোরালো স্পট কিকে ব্যবধান বাড়ান রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার মদ্রিচ।

ফলাফল : নাইজেরিয়া ০ - ২ ক্রোয়েশিয়া


Friday, June 15, 2018

আফগানদের কি একটু আগেই টেস্ট স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলেছে আইসিসি?

আফগানদের কি একটু আগেই টেস্ট স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলেছে আইসিসি?



আফগানিস্তান  অভিষেক টেস্টটা হেরে গেল মাত্র দুদিনে। বেঙ্গালুরুতে প্রথম ইনিংসে ১০৯ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গেল ১০৩ রান। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬৭ ওভার ব্যাটিং করার পর প্রশ্নটা উঠতেই পারে, আফগানদের কি একটু আগেই টেস্ট স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলেছে আইসিসি? নিজেদের দ্বিতীয় সারির একাদশ নিয়েও ভারত ম্যাচ জিতেচে ইনিংস ও ২৬২ রানের ব্যবধানে। 

এর আগে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ভারত থেমেছিল ৪৭৪ রানে। ৩৬৫ রানের লিড ছিল, তবে আফগানদের গুটিয়ে দিতে ২৮ ওভারও লাগেনি বলে বোলারদের হাতে আরও একবার বল তুলে দিয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। এবার ৩৯ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে পারল আফগানরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে ২১২ রান করেছে তারা। টেস্ট অভিষেকে দুই ইনিংস মিলিয়ে এটিই সবচেয়ে কম রান তোলার রেকর্ড!

দুই দিনেই টেস্ট শেষ হবে এই আলামত আফগানরাই দিয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ ওভারের মধ্যে ফিরে এসেছিলেন প্রথম চার ব্যাটসম্যান। পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট মিলিয়ে ৫৭ রান যোগ করে কিছুটা প্রতিরোধ তারা গড়তে পেরেছিল। সম্ভাবনা জাগিয়েছিল খেলা তৃতীয় দিনে টেনে নেওয়ার। কিন্তু সেই সম্মানটুকুও পেল না। 

বল হাতে ভারতের গল্পটা প্রথম ইনিংসের মতোই। প্রথমে পেসারদের ধাক্কা। আর তাতে টালমাটাল আফগানদের স্পিন বিষে নীল করে দেওয়া। আজ শুরুর দিকে টানা তিন ওভারে তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন উমেশ যাদব। চতুর্থ উইকেট তুলে নিয়েছেন ইশান্ত শর্মা। এরপর স্পিনারদের রাজত্ব। পার্থক্য হলো, প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন। এবার ৪ উইকেট নিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ইনিংসেও প্রথম চার ব্যাটসম্যানের তিনজনই ছিলেন পেসারদের শিকার। প্রথম উইকেটটা পড়েছিল রান আউটের খাঁড়ায়।

অশ্বিন জহির খানকে টপকে টেস্টে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়ে গেছেন এ ম্যাচে। প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তানের এক ব্যাটসম্যানই কেবল ২০ রানের বেশি করতে পেরেছেন। সেও এসেছে সাতে নামা মোহাম্মদ নবীর ব্যাট থেকে। নবীর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান করেছেন ১০ নম্বর ব্যাটসম্যান মুজিব-উর রহমান। ইনিংসের একমাত্র ছক্কাও তাঁর ব্যাটে। আফগানরা অবশ্য প্রথম ইনিংসে ১৮টি চার মেরেছে।

চার-ছক্কা থেকে এসেছে ৭৮ রান। বাকি ৩১ রান তারা নিয়েছে দৌড়ে। টেস্ট ক্রিকেট কতটা কঠিন, এখান থেকেও বোঝা যায়। আফগান ব্যাটসম্যানরা খুব কম সময়ের জন্যই স্বস্তিতে ছিল। অশ্বিনের বলে পর্যন্ত ভূপাতিত হয়েছেন একজন। পেসারদের ভেতরে ঢোকানো আড়াআড়ি ডেলিভারিগুলো খেলতেই পারছিলেন না। বল ঠেকাতে বা ছাড়তে পারাও টেস্ট ক্রিকেটের যোগ্যতা। কখনো কখনো তা বাউন্ডারি হাঁকানোর চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন আফগান ব্যাটসম্যানেরও রক্ষণাত্মক গুণ দেখা গেল না।

শেষমেশ তারা চলে গেল 'টি-টোয়েন্টি মোডে'। এই ক্রিকেটটাই তারা ভালো বোঝে কিনা! কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। মাত্র ১৭ ওভারে ৫৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা আফগানিস্তান মূলত নবী ও মুজিবের ওই দুই ইনিংসে শেষ চার উইকেটে ৫০ রান যোগ করতে পেরেছে। না হলে টেস্ট অভিষেকে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার লজ্জায় তারা পড়তেই বসেছিল! ১৮৮৯ সালে টেস্ট অভিষেকে ৮৪ রানে অলআউট হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

দ্বিতীয় ইনিংসে আফগানরা শুরুটা করেছিল বেশ সতর্কভাবে। বিনা উইকেট ১৯ রান তুলেও ফেলেছিল। এরপর ৫ রানের মধ্যে ৪ উইকেট নেই! হাশমতুল্লাহ আর স্টানিকজাইয়ের মাঝখানের ওই প্রতিরোধটুকু বাদে আর কোনো লড়াই নেই। একবারও মনে হয়নি, টেস্ট খেলছে আফগানরা। সেই মননটাই তৈরি হয়নি টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডের চমক জাগানো এই দলটির। সামনে হাঁটতে হবে বিস্তর পথ।

Wednesday, June 13, 2018

সালাহর প্রশংসায় সি আর সেভেন

সালাহর প্রশংসায় সি আর সেভেন




ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো মনে করছেন রাশিয়া বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মিশর বনাম পর্তুগাল হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্টই আছে। তবে তাঁর ইঙ্গিত, মহম্মদ সালাহ খেললেই একমাত্র সেটা হতে পারে। এবং আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি মনে করছেন, রাশিয়ায় সালাহ স্বমহিমায় থাকলে আগামী দিনে তাঁর এবং লিয়োনেল মেসির ব্যালন ডি'ওর পাওয়ার ব্যাপারে একাধিপত্যও শেষ হয়ে যেতে পারে।

পর্তুগাল মহাতারকা বলেছেন, ''সন্দেহ নেই, মহম্মদ সালাহ বছরের সেরা আবিষ্কার। আশা করি কিয়েভে ফাইনালে চোটটা বিশ্বকাপে ওর খেলায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।'' সঙ্গে যোগ করেছেন, ''অনেকেই বলেন, ব্যালন ডি'ওর-টা শুধু আমি বা মেসিই জিতব। কিন্তু এখন অনেকেই আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাতে চলে এসেছে। সালাহ অবশ্যই তাদের এক জন।''

শুক্রবার রাতে, পর্তুগাল বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে স্পেনের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের ফল যাই হোক, রোনাল্ডোদের নক আউট পর্যায়ে না যাওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ স্পেন বাদে গ্রুপে তাদের লড়াই মরক্কো আর ইরানের সঙ্গে।

এ দিকে, স্পেনের তারকা আন্দ্রে ইনিয়েস্তা মন্তব্য করেছেন, ''পর্তুগাল এমনই একটা দল যারা কোনও ম্যাচ হারতে মাঠে নামে না। ওদের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।'' আর রোনাল্ডোকে নিয়ে স্পেনের কিংবদন্তি ফুটবলারের মন্তব্য, ''এক জন সম্পূর্ণ ফুটবলার বলতে যা বোঝায়, রোনাল্ডো হচ্ছে ঠিক তাই। ও যে কোনও সময়, যে কোনও দলকে বড় ঝামেলায় ফেলে দিতে পারে।'' 



রাজনীতির ছায়া জার্মান শিবিরে

রাজনীতির ছায়া জার্মান শিবিরে




তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এর্দোয়ানের সঙ্গে মেসুত ওজিল ও ইলখাইন গুন্ডোয়ানের ছবি তোলার জের প্রভাবিত করতে পারে ওয়াকিম লো-র জার্মান বিশ্বকাপের দল নির্বাচনে। এমনটাই অনুমান, অলিভার বিয়েরহফের।

প্রাক্তন জার্মান তারকা বিয়েরহফ রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজের দেশের ফুটবল দলের ব্যবসায়িক ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বক্তব্য, ''এমনিতে লোককে খুশি করতে কোনও সিদ্ধান্ত নেয় না লো। সস্তা জনপ্রিয়তার তত্ত্বেও ওর বিশ্বাস নেই। অনুশীলন ও ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সই ওর বিচারের শেষ কথা। কিন্তু ওই দু'জন ফুটবলারকে ঘিরে কেলেঙ্কারির যে ঘটনা ঘটেছে তা সামান্য হলেও এ বার দল নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আমার মনে হয়।''

ওজিল ও গুন্ডোয়ান— দু'জনেরই শহর জার্মানির গেলেসেনকারখেনে। দু'জনেরই বাবা-মা তুরস্কজাত। গত মে মাসে তাঁরা তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে লন্ডনে ছবি তোলেন। জার্মানির বিশ্বকাপ দল ঘোষণার এক দিন আগে সে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় চলে আসে। এবং তার পর পরই জার্মানি যথাক্রমে অস্ট্রিয়া ও সৌদি আরবের সঙ্গে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে। এই দুটি ম্যাচের সময়ই ওজিল ও গুন্ডোয়ানকে খেলানো নিয়ে জার্মানিতে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল।

তুরস্কের সঙ্গে জার্মানির সম্পর্ক এই মুহূর্তে খুবই খারাপ। জার্মান সমাজ তুরস্কের অভিবাসীদের প্রতি এখন রীতিমতো ক্ষিপ্ত। বিশেষ করে ২০১৭ সালে তুরস্ক বংশোদ্ভূত জার্মান সাংবাদিক দেনিজ ইউসেল গ্রেফতার হওয়ার পরে। তুরস্ক সরকার তাঁর বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে। 

এ দিকে বিয়েরহফ বলেছেন, ''অভিবাসীদের নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকবে। ওজিলদের ছবিটা দিয়েও শেষ হবে না আলোচনা। আমার অনুরোধ একটাই। বিশ্বকাপের সময় খেলোয়াড়দের মনটা যাতে পুরোপুরি ফুটবলেই থাকে সেটা যেন সবাই মাথায় রাখেন।''

একই দাবি করেছেন জার্মান গোলরক্ষক মানুয়েল নয়্যারও। ইতালির এক দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ''দয়া করে সবাই পুরো দেশটার কথা ভাবুন। শুধু দু'জন ফুটবলারকে নিয়ে ভাবার কোনও দরকার নেই।'' গোটা পরিস্থিতি পর্বেক্ষণ করে বিয়েরহফ বলতে চেয়েছন, এই ধরনের ঝামেলায় যে সমস্ত ফুটবলারের মন খেলা থেকে সরে যেতে পারে, তাঁদের হয়তো ওয়াকিম লো তাঁর চূড়ান্ত এগারোতে বিশ্বকাপের সময় রাখবেন না।


মারাদোনা যুগ ভুলে এগিয়ে যেতে চান মেসি

মারাদোনা যুগ ভুলে এগিয়ে যেতে চান মেসি




আর্জেন্তিনা দলে দিয়েগো মারাদোনা এবং তাঁর বিখ্যাত জুটি নিয়ে মুখ খুললেন লিয়োনেল মেসি। আর্জেন্তিনার সংবাদপত্র 'লা নাসিয়ন'-র সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় মেসি জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের সেই অভিশপ্ত অভিজ্ঞতার কথা। তবে মারাদোনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন ছিল, তা নিয়ে খুব একটা কথা বলতে চাননি তিনি।

২০১০-এ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে বিপর্যয়ের পরে তাঁর কী মনে হয়েছিল? সংবাদপত্রটির প্রশ্নের সামনে মেসি বলেছেন, ''বিশ্বকাপ থেকে আগেভাগেই হেরে বিদায় নিতে হলে সকলেই ভেঙে পড়বে। আমারও সেই অবস্থা হয়েছিল। তবে অতীতে পড়ে থাকার মানে হয় না। প্রত্যেকটি অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা নিতে হয়।'' দ্রুত যোগ করছেন, ''জীবনের মতোই ফুটবলেও আমি ভাগ্যবান যে, বেশির ভাগ ভাল মুহূর্তই পেয়েছি। কিন্তু আমি খারাপ মুহূর্তগুলো থেকেও ইতিবাচক তরঙ্গ বার করে নেওয়ার চেষ্টা করি। যাতে সব সময় শেখার প্রক্রিয়াটা চালিয়ে যেতে পারি।''

আর্জেন্তিনা জুড়ে স্লোগান উঠে গিয়েছে, এ বার নয়তো আর কখনও নয়। লিয়োনেল মেসির এটাই শেষ সুযোগ বিশ্বকাপ জেতার। নিজের দেশে দিয়েগো মারাদোনার সঙ্গে অহরহ তাঁর তুলনা টেনে বলা হয়, মেসি শুধু ক্লাব ফুটবলেই সেরা। মারাদোনার মতো ক্লাব-দেশ দু'জায়গাতে সফল নন। মারাদোনার মতো কখনও আর্জেন্তিনাকে বিশ্বকাপ দিতে পারেননি তিনি। সেই সমালোচনাকে চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার এটাই সম্ভবত শেষ সুযোগ।

অতীতে নিয়ে পড়ে থাকতে চান না বলে দিলেও মেসি কিন্তু জানাতে ভোলেননি যে, সমস্ত খারাপ ফল তাঁকে আঘাত করে। ''ভেনেজুয়েলায় কোপা আমেরিকা কাপে আমি ভাল খেলছিলাম। কিন্তু ব্রাজিলের কাছে ফাইনালে হারটা একটা বড় ধাক্কা ছিল। খুবই হতাশ হয়েছিলাম। আমাদের কাপ জেতার মতো দক্ষতা ছিল। খুব ভাল খেলছিল দল। তার পরেও ফাইনালে গিয়ে হারলাম। সমস্ত আশাই শেষ হয়ে গেল এক সেকেন্ডের ভুলে। আমি ভীষণ ভেঙে পড়েছিলাম।'' এর পরেই মারাদোনার সঙ্গে তাঁর জুটির বাধার প্রসঙ্গে ঢুকে পড়েন। আর্জেন্তিনার ভাগ্য ফেরাতেই মারাদোনাকে কোচ করে এনেছিলেন আর্জেন্তিনার কর্তারা। কিন্তু তিনি যত বড় ফুটবলার ছিলেন, ততটাই ব্যর্থ হলেন কোচ হিসেবে। মেসি সেই সময়ের কথা মনে করতে গিয়ে বলছেন, ''দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যর্থতাটা মনে পড়লে খারাপ লাগে কারণ, আমাদের নিয়ে কত লোকের কত প্রত্যাশা ছিল। দল হিসেবে আমরা ভাল খেলছিলাম বলে সেই প্রত্যাশা আরও বেড়ে গিয়েছিল।''

দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য অন্যদের দিকে আঙুল না তুলে নিজেকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন মেসি। যেটা তাঁর বরাবরের বৈশিষ্ট। বলেছেন, ''একটাও গোল করতে পারিনি আমি। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু আমাকে মনে রাখতে হবে যে, কোনও কোনও সময়ে এমন ঘটনা জীবনে ঘটে যার কোনও ব্যাখ্যা হয় না। পরে গিয়ে নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পেরেছিলাম এই বলে যে, আমি তো সর্বাত্মক ভাবে চেষ্টা করেছিলাম। আমি পারিনি সে বার কিন্তু চেষ্টায় কোনও ত্রুটি ছিল না।'' তার পরেই যেন সারা ফুটবল দুনিয়ায় তাঁর ভক্তদের উদ্দেশে আশ্বাসের বাণী শুনিয়েছেন, ''জাতীয় দলের জার্সি পরে আমি সব সময় নিজের সেরাটা দিয়েছি। সব সময় আপ্রাণ চেষ্টা করে গিয়েছি সেরা খেলাটা খেলার।''

চিনে অলিম্পিক্স সোনা জয়ের অভিজ্ঞতা এখনও শিশুর মতো আনন্দ এনে দেয় তাঁর মুখে। ''চিনের সেই দিনগুলো দারুণ ছিল। অনেকে আমাকে বলেছিলেন, যাও, দারুণ উপভোগ করবে অলিম্পিক্সের আবহ। চিনে না গেলে সেটা বুঝতে পারতাম না। আমাদের গ্রুপটার জন্য অলিম্পিক্সে সোনা জেতাটা অবিস্মরণীয় একটা মুহূর্ত ছিল। সারা জীবন সোনা জয়ের অনুভূতিটা থেকে যাবে,'' বলে ফেলছেন তিনি। সেই সময়ে বার্সেলোনার সঙ্গে টক্কর চলছিল আর্জেন্তিনার তাঁকে ছাড়া নিয়ে। মেসি কিন্তু এত বছর পরেও বলে দিচ্ছেন, ''ভাগ্য ভাল যে, পেপ (গুয়ার্দিওলা তখন বার্সেলোনায় মেসিদের কোচ) আমার অবস্থাটা বুঝেছিলেন এবং গেমসে খেলার অনুমতি দিয়েছিলেন।''

ফুটবল জীবনের অমূল্য শিক্ষা? রাশিয়া বিশ্বকাপে যাঁর উপর নজর থাকবে সারা দুনিয়ার, তিনি বলে দিচ্ছেন, ''জিতলে সব কিছু ঠিক চলে। সব কিছুই ভাল চলছে। আমরা, ফুটবলাররা সেই সত্যটা মেনে চলি!''


চাই ভাল ঘুম, নিয়ম জারি তিতের শিবিরে

চাই ভাল ঘুম, নিয়ম জারি তিতের শিবিরে



বিশ্বকাপ জেতার জন্য ব্রাজিলের হাতে কী কী অস্ত্র আছে? এক নম্বর অস্ত্র অবশ্যই নেমার দ্য সিলভা স্যান্টোস (জুনিয়র)। আর একটি অস্ত্র হল, ঘুম!

মনে করা হচ্ছে, মাঠে সেরাটা দিতে হলে রাতে খুব ভাল করে ঘুমোতে হবে নেমারদের। এবং ফুটবলাররা যাতে ঠিকঠাক ঘুমোতে পারেন, তার জন্য বিশেষ কতকগুলো নিয়মও মানা হচ্ছে ব্রাজিল শিবিরে। কী সেই সব নিয়ম? ব্রাজিলীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ন'দফা নিয়ম জারি করা হয়েছে শিবিরে। যা মেনে চলতে হবে ব্রাজিলের ফুটবলারদের। একটি নিয়ম হল, রাতে শোওয়ার সময় ঘরের তাপমাত্রা ২১ থেকে ২৩ ডিগ্রির মধ্যে রাখতে হবে। আর একটি নিয়ম হল, রাতে কফি খেয়ে কিছুতেই ঘুমোনো যাবে না। শুধু কফি নয়, যে কোনও ক্যাফেন জাতীয় খাবারের ওপরেই নিষেধাজ্ঞা আছে। আবার ঘুমোনোর সময় এমন কোনও পোশাক পরা চলবে না, যাতে গরম বেশি লাগে। সম্ভবত সব চেয়ে কড়া নিয়ম হল, ল্যাপটপ, মোবাইল ট্যাবলেট— কিছু নিয়েই বিছানায় ওঠা যাবে না। ঘুমের আগে সব কিছু টেবিলে রেখে, চুপচাপ শুয়ে পড়তে হবে। বিছানায় শুয়ে দেখা চলবে না টেলিভিশনও। এ বারের ব্রাজিলকে অনেক বিশেষজ্ঞই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে বড় দাবিদার হিসেবে দেখছেন। যার মধ্যে আছেন রোনাল্ডো লুই নাজারিও দে লিমাও। এই বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভাগ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রোনাল্ডো বলেন, ''অবশ্যই আমার কাছে ব্রাজিল ফেভারিট। আর সেটা আমি ব্রাজিলিয়ান বলে কিন্তু নয়। আমি নেমারদের ফেভারিট বলছি, কারণ ওরা ভাল ফুটবল খেলছে।''

মস্কোয় একটি অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ৪১ বয়সি রোনাল্ডো ব্রাজিলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বেছে নেন স্পেন এবং জার্মানিকে। ''জার্মানি সব সময়ই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী,'' বলেছেন দু'বারের বিশ্বজয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য।



Tuesday, June 12, 2018

কাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ, মত অ্যাজারের !

কাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ, মত অ্যাজারের !



বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার তিন দিন আগে বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মকে আরও তাতিয়ে দিলেন অধিনায়ক এডেন অ্যাজার। সোমবার তিনি বললেন, ''দুই বা চার বছরের অপেক্ষা নয়। বিশ্বকাপে কিছু করতে হলে, এবারই সেরা সময়।''

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন তিন নম্বরে আছে বেলজিয়াম। ফুটবল বিশেষেজ্ঞদের মত, এ বারের দলটা ধারে এবং ভারে দেশের সর্বকালের শক্তিশালী দল। অ্যাজার নিজে  চেলসির হয়ে দারুণ খেলেছেন ক্লাব ফুটবলে। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে  বিশ্বকাপকে পাখির চোখ করেছেন অ্যাজার। তাঁর সঙ্গে দলে রয়েছেন কেভিন দ্য ব্রুইন এবং রোমেলু লুকাকুর মতো ফুটবলার। সে জন্যই অ্যাজার বলেছেন, ''এ বারের বিশ্বকাপে আমাদের কিছু করে দেখাতেই হবে। দলের বেশির ভাগ ফুটবলার এ বার বিশ্বের নামী ক্লাবে সাফল্যের সঙ্গে খেলেছে। ফলে যদি কিছু করতে হয় তা হলে সেটা এ বারই।''

বিশ্বকাপে বেলজিয়াম রয়েছে তিউনিজ়িয়া, ইংল্যান্ড, এবং পানামার সঙ্গে একই গ্রুপে। বেলজিয়ামের একটি স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের সই দেওয়ার ফাঁকে অ্যাজারের মন্তব্য, ''এটা ঠিক যে এ বার আমি ক্লাবে খুব ভাল খেলেছি।  গোল করেছি। সব দলেই কোনও এক বা দু'জনের উপর সবার নজর থাকে। সেটা হয়তো আমাদের দলের ক্ষেত্রেও সত্যি।'' এখানেই থেমে থাকেননি বেলজিয়ামের সেরা তারকা। বলে দিয়েছেন, ''তবুও বলছি আমাদের দল শুধু এডেন অ্যাজারের উপর নির্ভরশীল নয়। সব ফুটবলারই জানে কী ভাবে কোনও খেলায় সমস্যার সমাধান করতে হয়। সবাই মিলে কাজ করতে হবে। তবেই বিশ্বকাপ পাওয়া সম্ভব  হবে।''  


বিশ্বকাপে ব্যর্থ হলেই বিদায়ের ইঙ্গিত মেসির !

বিশ্বকাপে ব্যর্থ হলেই বিদায়ের ইঙ্গিত মেসির !



বিশ্বকাপ শুরুর অন্তিম লগ্নে দাঁড়িয়ে লিয়োনেল মেসির মাথায় ঘুরছে অবসরের ভাবনা। একই সঙ্গে তিনি ফিরে যাচ্ছেন দু'বছর আগের এক ঘটনায়। যা তাঁকে কাঁদিয়েছিল। যা তাঁকে এখনও যন্ত্রণা দেয়।

রাশিয়া বিশ্বকাপের ফল যে তাঁর আন্তর্জাতিক ফুটবল জীবনের ভাগ্য ঠিক করে দেবে, তার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন মেসি। বিশ্বকাপ না জিতলে হয়তো দেশের জার্সিতে আর দেখা যাবে না তাঁকে। এক স্প্যানিশ দৈনিকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মেসি বলেন, ''আমার আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নির্ভর করবে এ বারের বিশ্বকাপে আমরা কতদূর কী করতে পারি, তার ওপর। দেখা যাক, আমরা এই বিশ্বকাপে কোথায় শেষ করতে পারি।''

আর্জেন্তিনার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যে তাঁর সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়, তাও পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে মেসির কথায়। তিনি বলেছেন, ''আমরা তিনটে ফাইনাল পরপর হেরেছি। যার জেরে আমাদের সঙ্গে আর্জেন্তিনার সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। তিনটে ফাইনালে ওঠার কৃতিত্বটা আমরা এক ভাবে দেখেছি, ওরা অন্য ভাবে দেখেছে।''

ক্লাবের হয়ে চূড়ান্ত সফল ফুটবলার এখনও পর্যন্ত দেশকে কোনও বড় ট্রফি এনে দিতে পারেননি। যার জেরে বার বার দেশের সংবাদমাধ্যম কাঠগড়ায় চড়িয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে। চোখের জলে তো এক বার অবসরও নিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। কিন্তু আরও একটা ঘটনা তাঁকে ধাক্কা দিয়েছিল। যার জন্য বার্সেলোনায় বসে কাঁদতে হয়েছে মেসিকে।

কী সেই ঘটনা? মেসি জানিয়েছেন, কর ফাঁকি মামলায় যে ভাবে তাঁকে আক্রমণ করা হয়েছিল, তা তিনি সহ্য করতে পারেননি। ''একটা সময় আমি তো বার্সেলোনায় বসে কাঁদতাম। মনে হত, কেন এই অবস্থার মধ্যে পড়তে হল?'' মেসি আরও যোগ করেন, ''আমি হয়তো পুরোপুরি অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়িনি, কিন্তু ওরা আমাকে যে ভাবে আক্রমণ করেছিল, যে ভাবে আমার বাবা এবং ঘনিষ্ঠদের সম্পর্কে খবর প্রকাশ করা হয়েছিল, তা মেনে নেওয়া যায় না। মনে হচ্ছিল, চার দিক থেকে আমাকে আক্রমণ করা হচ্ছে। খুব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন।'' এ ক্ষেত্রে মেসি ইঙ্গিত করেছেন মাদ্রিদের সংবাদমাধ্যমের দিকে। কর ফাঁকি মামলায় মেসির ২১ মাস কারাবাস এবং জরিমানা হয়েছিল। কিন্তু স্প্যানিশ আইন অনুযায়ী, হিংসাত্মক অপরাধ ছাড়া দু'বছরের কম কারাদণ্ড হলে জেল খাটতে হয় না। মেসিকেও হয়নি। কিন্তু এটা পরিষ্কার, সেই ঘা এখনও যন্ত্রণা দেয় ফুটবলের রাজপুত্রকে।

তবে মেসি কৃতজ্ঞ বার্সেলোনা ক্লাবের কাছে। এই মুহূর্তে কর ফাঁকি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও। রোনাল্ডোর ক্ষোভ, মেসির পাশে বার্সা যে ভাবে দাঁড়িয়েছিল, রিয়াল মাদ্রিদ সে ভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছে না। মেসিকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ''আমি সে দিক দিয়ে ভাগ্যবান।'' এর পরে যোগ করেন, ''আমার পাশে আমার পরিবারের লোকজন ছিল, বার্সার লোকজন ছিল। আমার ভাগ্য ভাল ছিল।'' 

মাঠের বাইরে দু'জনে একই বিতর্কে জড়িয়েছেন। আবার মাঠের মধ্যে দেখা গিয়েছে, মেসি এমন এক অস্ত্র রপ্ত করার চেষ্টা করছেন, যা দেখা গিয়েছে রোনাল্ডোর তূণেই। বাইসাইকেল কিক।

সোমবার ছিল রাশিয়ায় আর্জেন্তিনার অনুশীলনের দ্বিতীয় দিন। যেখানে ফুট-টেনিস খেলতে দেখা যায় আর্জেন্তিনার ফুটবলারদের। ওই সময়ই দেখা যায় শূন্যে শরীর ছুড়ে বাইসাইকেল কিক মারছেন মেসি।

সোমবার অনুশীলনে আর্জেন্তিনার যে প্রথম দল খেলেছে, তার থেকে মোটামুটি ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে কী হতে পারে মেসিদের প্রথম একাদশ। আর্জেন্তিনার সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আক্রমণের দায়িত্বে মেসির সঙ্গে থাকবেন অ্যাঙ্খেল দি মারিয়া এবং সের্খিয়ো আগুয়েরো।


ভারতের থেকে এশিয়া কাপ ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশের মেয়েরা(কোচ অঞ্জু জৈন'কে কৃতিত্ব দিতেই হবে)

ভারতের থেকে এশিয়া কাপ ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশের মেয়েরা(কোচ অঞ্জু জৈন'কে কৃতিত্ব দিতেই হবে)




বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এশিয়া কাপ জেতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা করেছে। কোচিং স্টাফরা পাবেন মোট ৭৫ হাজার ডলার। আর প্রত্যেক ক্রিকেটার পাবেন ১৪,৮০০ টাকা করে। বেতন বাড়ানের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।মিতালি-ঝুলনের ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশের মহিলাদের এশিয়া কাপ জেতার নেপথ্যে মিতালি-ঝুলনদেরই প্রাক্তন সতীর্থ!

মাত্র তিন সপ্তাহ হল পদ্মাপারের দেশে মহিলা ক্রিকেট দলের কোচের পদে এসেছেন অঞ্জু জৈন। আর দায়িত্ব নিয়েই এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন বাংলাদেশকে।শুধু রবিবার কুয়ালালামপুরে ফাইনালেই ভারতকে হারিয়ে এশিয়া-সেরা হয়েছে বাংলাদেশ, তা নয়। গ্রুপের ম্যাচেও ভারত ও পাকিস্তানকে হারিয়েছিল তারা।  

আর এখানেই অঞ্জুর কৃতিত্ব।আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের মতো মুহুর্তের মধ্যে পালটে দিয়েছেন বাংলাদেশ মহিলা দলকে। গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা আট ম্যাচে হেরেছিল তারা। মনোবল তলানিতে ঠেকেছিল। সেই দলকে হাতে নিয়েই পাইয়েছেন সাফল্যের স্বাদ। আর সেটাও ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন ফেভারিট ভারতের বিরুদ্ধে টানটান উত্তেজনার মুহূর্তে। শেষ বলে দরকার ছিল দুই রান। তার আগের দুই বলে পড়েছিল উইকেট। রীতিমতো রক্তচাপ বাড়ার পরিস্থিতি। শেষ বলে বাংলাদেশের বাজিমাতের নেপথ্যে কোচ অঞ্জুকে কৃতিত্ব তাই দিতেই হবে।



এর আগে ২০১২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের কোচ ছিলেন অঞ্জু। কিন্তু, দেশের বাইরে এটাই তাঁর প্রথম কোচিং। আর দায়িত্ব নিয়ে প্রথম বলেই ছয় মারার মতোই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।

ক্রিকেটার হিসেবেও অঞ্জু ছিলেন বেশ সফল। প্রাক্তন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান খেলেছেন ৮টি টেস্ট ও ৬৫টি ওয়ান-ডে। ১২ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার পর, ২০০৫ সালে অবসর নেন। টেস্টে মোট রান ৪৪১, গড় ৩৬.৭৫। ক্যাচ ১৫টি, স্টাম্প ৮টি। একদিনের ক্রিকেটে মোট রান ১৭২৯। গড় ২৯.৮১। ক্যাচ ৩০টি, স্টাম্প ৫১টি। ২০০০ সালে বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বে সেমিফাইনালেও উঠেছিল ভারত।

খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়েই মন দেন অঞ্জু। বড় সাফল্য এই প্রথম। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এশিয়া কাপ জেতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা করেছে। কোচিং স্টাফরা পাবেন মোট ৭৫ হাজার ডলার। আর প্রত্যেক ক্রিকেটার পাবেন ১৪,৮০০ টাকা করে। বেতন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।


Thursday, June 7, 2018

বিতর্কের জের, ইজ়রায়েলে খেলতেই গেলেন না মেসিরা

বিতর্কের জের, ইজ়রায়েলে খেলতেই গেলেন না মেসিরা



আশঙ্কা সত্যি হল। কার্যত রাজনৈতিক চাপেই ইজ়রায়েলে প্রদর্শনী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিল আর্জেন্তিনা। প্যালেস্তাইনে বেশ কি‌ছু দিন ধরেই এই ম্যাচ নিয়ে ঝামেলা চলছিল। প্যালেস্তাইন ফুটবল সংস্থার প্রধান জিবরিল রাজৌব দেশের মানুষদের লিয়োনেল মেসির নাম লেখা জার্সি পোড়াতেও উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। আর্জেন্তিনায় অবস্থিত ইজ়রায়েলের দূতাবাস থেকে বলা হল, মেসিকে হুমকি এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনা ছড়ানোর জন্যই এই ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। তাঁরা প্যালেস্তাইনের বিরুদ্ধে ফিফার কাছেও  নালিশ জানিয়েছে।

রাজৌব দাবি করেছেন, তিনি আর্জেন্তিনা সরকারকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেন এই ম্যাচে যেন মেসি না খেলেন। তাঁর কথায়, ''মেসি হলেন শান্তি ও ভালবাসার প্রতীক। আমরা ওঁকেও এই ম্যাচ খেলে দখলকারী অপরাধীদের উৎসাহিত না করতে অনুরোধ করেছিলাম।'' সবাইকে চমকে দিয়ে ম্যাচ বাতিল হওয়ায় নিজের আনন্দের কথা জানিয়ে আর্জেন্তিনার স্ট্রাইকার গঞ্জালো হিগুয়াইন মন্তব্য করলেন, ''অবশেষে সঠিক একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।'' ম্যাচ বাতিল হওয়ায় স্বভাবতই খুশি প্যালেস্তাইন ফুটবল সংস্থা। তাদের বক্তব্য, ''খেলাধুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করতে দেব না।'' জবাবে ইজ়রায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাভিগডর লিবেরম্যান টুইট করে লিখলেন, ''আর্জেন্তিনা ফুটবলের অভিজাত মহল যে ভাবে ইজ়রায়েল বিরোধীদের প্ররোচনায় কথার খেলাপ করল তা লজ্জাজনক।'' ক্ষিপ্ত ইজ়রায়েলের প্রেসিডেন্ট রুভেন রিভলিন নিজে ফোন করে কথা বলেন আর্জেন্তিনার প্রেসিডেন্ট মাউরিসো মার্কির সঙ্গে। মার্কি নাকি সোজাসুজি জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের ফুটবল সংস্থার  সিদ্ধান্তে তাঁর কোনও হাত ছিল না। যদিও আর্জেন্তিনার বিদেশমন্ত্রী হর্হে ফাউরি ইঙ্গিত দিয়েছেন, বিশ্বকাপ দলের বেশ কয়েক জন ফুটবলার এই ম্যাচ খেলায় নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন। মন্ত্রী অবশ্য নির্দিষ্ট করে কোনও ফুটবলারের নাম করেননি। তবে হিগুয়াইন যখন নিজেই ম্যাচ বাতিলে তাঁর খুশি হওয়ার কথা বলেছেন, তখন ধরে নেওয়া যায়, তিনিও সেই ফুটবলারদের একজন। হতে পারে, তাঁকে নিয়েই যখন এত বিতর্ক তখন মেসিও এই ম্যাচ খেলতে চাননি। প্রসঙ্গত, ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের রাস্তায় রাস্তায় এখনও শোভা পাচ্ছে বিশাল সব বিলবোর্ড। যেখানে মেসির ছবি দিয়ে লেখা হয়েছিল, ''সাবধান! আপনি কিন্তু জবরদখল করা একটা জায়গায় পা রাখছেন। দয়া করে, মানবাধিকারের পক্ষে রায় দিন। মনে রাখবেন জেরুসালেম
প্যালেস্তাইনেরই রাজধানী।''

ম্যাচ বাতিল হওয়ায় ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের রাস্তায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে নেমে পড়ে জনতা। 'মেসি তোমাকে ভালবাসি' আওয়াজও তোলা হয়েছে। যা দাঁড়াল, তাতে ইজ়রায়েল ম্যাচ বাতিল হওয়ায় আর্জেন্তিনা সরাসরি বার্সেলোনা থেকেই রাশিয়ায় উড়ে যাবে। ঘটনায় আর্জেন্তিনার ম্যানেজার হর্হে সাম্পাওলিও নিশ্চয়ই খুশিই হবেন। তিনি তো আগেই বলেছিলেন, ''বার্সেলোনাতেই এই ম্যাচটা হলে খুশি হতাম।'' এ দিকে, আর্জেন্তিনা ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, সামনে বিশ্বকাপ। এই ক'দিন অন্তত যেন মেসিদের বিতর্ক থেকে দূরে রাখা হয়, না হলে তাদের প্রস্তুতি বিঘ্নিত হবে।  


ভালবাসায় ছাড় নেমার, ফ্রেদদের !

ভালবাসায় ছাড় নেমার, ফ্রেদদের !



বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির কোচ ওয়াকিম লো বিশ্বকাপের সময় তাঁর ফুটবলারদের সঙ্গে তাঁদের স্ত্রী-বান্ধবীদের মেলামেশায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। ব্রাজিলের বিশ্বখ্যাত কোচ তিতে কিন্তু নেমার দ্য সিলভা স্যান্টোস জুনিয়রদের ক্ষেত্রে বেশ শিথিল নীতি নিয়েছেন।

তিতের বক্তব্য, বিশ্বকাপের জন্য ব্যাপক খাটাখাটুনির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ফুটবলাররা। মাঝে মাঝেই তিনি ফুটবলারদের তাই ছুটি দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ফুটবলারদের কাছ থেকে সেরাটা পেতে বিশ্রাম খুবই জরুরি। এবং ওই ছুটির দিনগুলোয় ফুটবলাররা তাঁদের স্ত্রী-বান্ধবীদের সঙ্গে মেলামেশা করতে চাইলে তিনি আপত্তি করবেন না।  তেরোজোপলিসে ব্রাজিলের শিবির থেকেই তিনি এই নিয়ম চালু করেছেন। ছুটির যে ক'টা দিন এখন পর্যন্ত ফুটবলাররা পেয়েছেন, তার সব ক'টিই নেমার,  উইলিয়ানরা তাঁদের প্রিয়জনদের সঙ্গে হইহল্লা করেই কাটিয়েছেন। এখন টটেনহ্যামের শিবিরে একই নিয়ম বহাল। ব্রাজিলের এক সংবাদমাধ্যমে এই খবর ছাপা হয়েছে। খবরের শিরোনাম, 'ফুটবলারদের মুক্ত করছেন তিতে'।

নেমাররা অবশ্য এখনও খুব বেশি  ছুটি পাননি। তবু মেরেকেটে দিন দু'য়েকের ছুটিই তাঁরা চুটিয়ে উপভোগ করেছেন। ব্রাজিল দলের চিকিৎসক রদরিগো লাসমার বলেছেন, ''লো যা করছে তাতে আমার সায় নেই। যৌনতা স্বাভাবিক ব্যাপার। আমাদের দলের বেশির ভাগ ফুটবলারেরই বয়স কম। প্রত্যেকেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আমাদের কোচ মনে করেন, ওদের ভালবাসার সুযোগ দিলে তরতাজা হয়েই মাঠে  ফিরবে।''

তিতে অবশ্য হোটেলে নিজেদের ঘরে স্ত্রী-বান্ধবীদের নিয়ে আসায় নিষেধ করেছেন। ফুটবলাররা বাইরে কোথাও আনন্দ করলে আপত্তি করছেন না। ব্রাজিল দলে নারীসঙ্গের ঘটনা নতুন কিছু না। গ্যারিঞ্চাদের সময় থেকে তা চলে আসছে। একই ভাবে মারিও জাগালোও পেলেদের এ রকম ছুটি দিতেন। ছুটি কাটিয়ে আসার পরে তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তি তো কিংবদন্তিতে পরিণত। তিনি বলেছিলেন, ''অনেক হয়েছে, এ বার যাও মাঠে নেমে ম্যাচ জিতে এসো।'' হতে পারে তিতেও নেমারদের একই কথা বলবেন। আর রাশিয়ায় তাঁরা সত্যিই ম্যাচ এবং কাপ জিতে আসতে পারেন কিনা সেটা এখন দেখার। 


Wednesday, June 6, 2018

মাঠে ইফতারের জন্য গোলরক্ষকের ইনজুরির ভান!

মাঠে ইফতারের জন্য গোলরক্ষকের ইনজুরির ভান!



মাঠে খেলা চলছে। হঠাৎ গোলরক্ষক মাটিয়ে শুয়ে পড়লেন। এই সুযোগে দলের অন্য খেলোয়াড়েরা নিজেদের ডাগআউটের সামনে সাইড লাইনে গিয়ে খেজুর ও পানি পান করলেন। গত সপ্তাহে পর্তুগাল ও তিউনিসিয়ার ম্যাচের দৃশ্য। 

সাধারণ দৃষ্টিতে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হলেও আসল ঘটনাটা জানলে একটু ভ্রু কুঁচকাতেই হবে। কারণ, ইনজুরিতে পড়ে নয়, ইফতার করার জন্য তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক মৌজ হাসান অমন ইনজুরির অভিনয় করেছিলেন। যে সুযোগে সতীর্থদের সঙ্গে ইফতারি করে নিয়েছেন তিনিও; যা তিনি তুরস্কের বিপক্ষেও করেছিলেন। 
আফ্রিকান দেশ তিউনিসিয়া মুসলিম হিসেবে পরিচিত। তাই তো রমজান মাসে খেলতে নামলেও রোজা রাখা থেকে বিরত থাকেননি দেশটির ফুটবলাররা। রোজা নিয়ে খেলতে নামলেও তুরস্ক ও পর্তুগালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচেই ড্র করেছে তারা।

পর্তুগালের বিপক্ষে তো দলটি ২-১ গোলে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু ইফতারি করার পরে মাঠে নেমেই গোল পরিশোধ করে ২-২ ব্যবধানে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। অতএব বিশ্বকাপের আগে তাদের প্রস্তুতিটা খারাপ হলো না।

১৪ জুন থেকে শুরু হওয়া বিশ্বকাপে তিউনিসিয়া আছে 'জি' গ্রুপে। গ্রুপের অন্য দলগুলো হলো ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম ও পানামা। ১৮ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে তিউনিসিয়া।

Tuesday, June 5, 2018

জার্মানি দলে নয়্যার, বাদ পড়লেন সানে

জার্মানি দলে নয়্যার, বাদ পড়লেন সানে




মানুয়েল নয়্যার, জেহোম বোয়াটেংয়ের বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে থাকা নিয়ে সামান্য হলেও সংশয় ছিল। কিন্তু সোমবার ওয়াকিম লো যে দল ঘোষণা করেছেন, তাতে দুই তারকা থাকলেও বাদ পড়েছেন দুরন্ত ছন্দে থাকা মিডফিল্ডার লেরয় সানে।

২০১৭-১৮ মরসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সেরা প্রতিশ্রুমান ফুটবলার হয়েছেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির সানে। কিন্তু তা নিয়ে যে লো একেবারেই আগ্রহী নন, দল ঘোষণার মধ্য দিয়েই স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সানের পরিবর্তে লো নিয়েছেন বায়ার লেভারকুসেনের ২২ বছর বয়সি উইঙ্গার জুলিয়ান ভান্টকে। বিশ্বকাপজয়ী জার্মান কোচের ব্যাখ্যা, ''কোনও সন্দেহ নেই যে সানে দারুণ প্রতিশ্রুতিমান। কিন্তু আমাকে সানে ও ভান্টের মধ্যে থেকে এক জনকে বেছে নিতে হত। আমি ভান্টকেই আমি উপযুক্ত মনে করেছি।'' লো অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরেই জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনবেন সানেকে।

জার্মান কোচের যুক্তি মানছে না ইংল্যান্ডের সংবাদ মাধ্যম। সানে ও ভান্টের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান দিয়ে তারা সমালোচনা করেছেন লো-র সিদ্ধান্তের। ইপিএল চ্যাম্পিয়ন ম্যান সিটির হয়ে ২০১৭-১৮ মরসুমে ১৪টি গোল করেছেন সানে। সহায়তা ১৯টি। বুন্দেশলিগায় পঞ্চম হওয়া  বায়ার লেভারকুসেনের হয়ে ভান্ট গোল করেছেন ১২টি। সহায়তা সাতটি। ক্ষুব্ধ ম্যান সিটিতে সানের সতীর্থরাও। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির মধ্যেই ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার টুইটারে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ক্ষোভ জানিয়েছেন ফ্রান্সের বঁজামা মেন্দিও। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড আবার সানের মধ্যে রায়ান গিগ‌্‌সকে খুঁজে পেয়েছেন। জার্মানির বিশ্বকাপ দলে সানে না থাকায় হতাশ ল্যাম্পার্ড বলেছেন, ''গিগ‌্‌সের মতো সানেও বিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে বল নিয়ে এগিয়ে যেতে দক্ষ। কঠিন ব্যাপারগুলোও খুব সহজ ভাবে করতে পারে।''

সানের বাদ পড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন নয়্যার। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে লো-র পাশেই বসেছিলেন জার্মান অধিনায়ক। তিনি বলেছেন, ''এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ সম্ভব নয়। ফুটবলারদের জীবনে ভাল ও খারাপ দু'ধরনের সময়ই আসে। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু আমি কখনও নিজের উপর থেকে বিশ্বাস হারাইনি।'' নয়্যার আরও বলেছেন, ''কোচ ও ফিজিয়োথেরাপিস্টের সঙ্গে দারুণ সময় কাটিয়েছি। চেষ্টা করছি, সব সময়ই ইতিবাচক থাকার। যদি না থাকতাম, তা হলে হয়তো আমি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেতাম না। আমার পাখির চোখ এখন বিশ্বকাপ।''

২০১৭-র সেপ্টেম্বরে পায়ের পাতার হাড় ভেঙে যায় নয়্যায়ের। সুস্থ হয়ে ওঠার পরে প্রথম ম্যাচ খেললেন প্রায় দশ মাস পরে। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য ১-২ গোলে হেরেছে জার্মানি। তবে দু'গোল খেলেও নয়্যারের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট লো।

দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে থাকায় বিশ্বকাপে সমস্যা হবে না? নয়্যার বলেছেন, ''চোটের জন্য আমি এই মরসুমে অধিকাংশ সময়ই মাঠের বাইরে ছিলাম ঠিকই। কিন্তু তার জন্য বিশ্বকাপে খেলতে কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।''


উরুগুয়ে ফুটবলে নবজাগরণ তাবারেজের হাত ধরে

উরুগুয়ে ফুটবলে নবজাগরণ তাবারেজের হাত ধরে




রাশিয়ায় চমকপ্রদ কিছু দেখার আশায় রয়েছেন উরুগুয়ের ফুটবল ভক্তরা। আর তাঁদের সেই স্বপ্ন যেমন গড়ে উঠেছে দুই সেরা স্ট্রাইকার, লুইস সুয়ারেস এবং এদিনসন কাভানিকে ঘিরে, তেমনই অগাধ আস্থা জাতীয় দলের চাণক্যের উপর।

উরুগুয়ের ফুটবল কোনও মহাতারকার চেয়ে কম বড় নাম নন তিনি— অস্কার তাবারেজ। 'এল মাস্ত্রো' বলা হয় তাঁকে। যার অর্থ শিক্ষক। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে 'ফাদার ফার্গি'-র মতো উরুগুয়ে ফুটবলে পিতৃসম ভাবমূর্তি তাঁর।

মাত্র ৩২ বছর বয়সে ফুটবলার হিসেবে অবসর নেওয়ার পরেই কোচিং কেরিয়ার গড়ার দিকে মন দেন তাবারেজ। যেখানে জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন ফুটবলার হিসেবে, সেই বেলা ভিস্তায় কোচিং শুরু করেই সকলকে চমকে দিয়েছিলেন। সেই সাফল্য দেখেই উরুগুয়ে ফুটবল ফেডারেশন তাঁকে অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ করে। ১৯৮৩-তে প্যান আমেরিকান গেমসে দল নিয়ে গিয়ে সোনা জেতেন তাবারেজ। তাঁর জীবনের প্রথম সাফল্য, যা তৈরি করে দেবে অসাধারণ এক কোচের মঞ্চ। 

১৯৮৫-তে আইএফএ শিল্ড খেলতে এসে চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ের বিখ্যাত ক্লাব পেনারল। সেখানেই ১৯৮৭-তে দায়িত্ব নেন তাবারেজ। এবং, শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তিনি। দক্ষিণ আমেরিকার ক্লাব ফুটবলের সব চেয়ে বড় প্রতিযোগিতা কোপা লিবার্তাদোরেস জেতেন তিনি। ক্লাব ফুটবলের সাফল্য দেখেই উরুগুয়ে ফুটবল ফেডারেশন তাঁকে জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। ১৯৮৯-তে তাঁর কোচিংয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠে উরুগুয়ে। কিন্তু ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ০-১ হেরে যায় তারা। ফাইনাল হারলেও তাবারেজ চাকরি হারাননি। ১৯৯০-এ ইতালি বিশ্বকাপে তিনিই কোচ ছিলেন উরুগুয়ের এবং শেষ ১৬-তে পৌঁছয় দল। ইতালির কাছে সেই বিশ্বকাপে হেরে বিদায়ের পরেই তাবারেজ ইস্তফা দেন উরুগুয়ের কোচের পদে। ফিরে যান ক্লাব কোচিংয়ে। এ বার তাঁর ঠিকানা আর্জেন্তিনার বিখ্যাত ক্লাব বোকা জুনিয়র্স। দু'বছরের মেয়াদে বোকা জুনিয়র্সের হয়ে জেতেন আর্জেন্তিনার লিগ এবং সুপারকোপা মাস্টার্স।

এর পর কখনও ইতালি, কখনও স্পেনে কোচিং করে বেড়ালেন তিনি। ২০০১-এ দক্ষিণ আমেরিকায় ফিরে ফের যোগ দিলেন আর্জেন্তিনার ক্লাব ফুটবলে। সেখানেও এক বছরের বেশি থাকলেন না। সব ছেড়ে দিয়ে ফুটবল থেকেই অজ্ঞাতবাস নিয়ে নেন তিনি। সেই অজ্ঞাতবাস চলল চার বছর। সবাই প্রায় ধরেই নিয়েছিল যে, ফুটবল থেকেই পাকাপাকি ভাবে বিদায় নিয়ে ফেলেছেন তিনি। পরিস্থিতিতে নাটকীয় মোড় এনে দিল উরুগুয়ে জাতীয় দলের ব্যর্থতা। ২০০৬-এ তারা বিশ্বকারে যোগ্যতা অর্জনই করতে পারল না। তখনই ফের 'এল মাস্ত্রো'-র শরণাপন্ন হলেন দেশের ফুটবল কর্তারা। জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে শুরু হল তাবারেজের ফুটবল কোচিং জীবনের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উরুগুয়ে ফুটবলে নবজাগরণ ঘটেছে তাঁরই হাত ধরে। রাশিয়ায় যে সুয়ারেসদের ভাল দল ধরা হচ্ছে, তার নেপথ্যেও চাণক্য তাবারেজের মস্তিষ্ক। ২০১০-এ ব্রাজিল বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা এবং ২০১১ কোপা আমেরিকা জয় তাবারেজের দলকে নিয়ে আশা বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত সংগঠিত ফুটবল খুব কম দেশই খেলে। তাবারেজ একদম নীচ থেকে খেলাটা তৈরি করায় বিশ্বাসী। সেই কারণে উরুগুয়ের সেন্ট্রাল ডিফেন্স খুবই শক্তিশালী। দুর্দান্ত মিডফিল্ডও সাজিয়ে ফেলেছেন তাবারেজ। আক্রমণ বিভাগে সুয়ারেস এবং কাভানিকে রেখে ৪-৪-২ ছকেই সম্ভবত খেলবেন তিনি। রক্ষণ সামলে তবেই আক্রমণে যাবেন। সীমাবদ্ধতা নিয়েও কী ভাবে জিততে হয়, 'এল মাস্ত্রো' তার সেরা উদাহরণ যে!


Monday, June 4, 2018

আপডেট: নতুন চুলের কাটে রোনাল্ডো ! কাজ শুরু করতে চান !

আপডেট: নতুন চুলের কাটে রোনাল্ডো ! কাজ শুরু করতে চান !




অবশেষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ঠিক করলেন, তিনি পর্তুগালের অনুশীলনে যোগ দেবেন!

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজকে নিয়ে এত দিন মালাগায় ছুটি কাটাতে ব্যস্ত ছিলেন রোনাল্ডো। অন্য দিকে পর্তুগাল শুরু করে দিয়েছে বিশ্বকাপের অনুশীলন শিবির। এমনকি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলে ফেলেছে তারা। কিন্তু অধিনায়ক রোনাল্ডোকে দলে পায়নি। তিনি তখন ছিলেন মালাগায়। যেখানে বান্ধবী জর্জিনার সঙ্গে বেশ কয়েক বার দেখা যায় রোনাল্ডোকে।

রবিবার বান্ধবীকে নিয়ে মালাগা থেকে ব্যক্তিগত বিমানে ওঠেন রোনাল্ডো। সোমবারই তিনি  পর্তুগালের প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেন। লিসবনের কাছাকাছি ওয়াইরাস শহরে চলছে শিবির। যেখানে দলের অনুশীলনে নতুন চুলের ছাঁটে দেখা গেল পর্তুগাল অধিনায়ককে। তার আগে রোনাল্ডো নিজের একটি ছবি টুইট করে লেখেন, ''বিশ্ব আমাদের দেখছে। চলো, কাজ শুরু করি।'' অনুশীলনে কিন্তু বিশ্বকাপের পাশাপাশি সি আর সেভেনকে নিয়ে আরও একটা ব্যাপারে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। পর্তুগিজ মহাতারকা কোন ক্লাবের হয়ে সামনের মরসুমে খেলবেন? তাঁর রিয়াল মাদ্রিদে থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জল্পনা শুরু হয়েছে, রোনাল্ডো কি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনও ক্লাবে খেলবেন?


বিস্ময় ফ্রি-কিকে মহড়া শুরু মেসির !

বিস্ময় ফ্রি-কিকে মহড়া শুরু মেসির !



তাঁকে ঘিরেই যাবতীয় স্বপ্ন দেখছে একটা দেশ। তাঁকে ঘিরেই রণনীতি তৈরি করতে চান কোচ। তাই লিয়োনেল মেসিকে খুশি রাখার যাবতীয় চেষ্টা চলছে আর্জেন্তিনা শিবিরে। যে কারণেই মেসির 'দ্বিতীয় ঘর' বার্সেলোনায় প্রস্তুতি শিবির বসেছে আর্জেন্তিনার।

বার্সেলোনায় চলা শিবিরে মেসিকে দেখার পরে অনেকেই মনে হয়েছে, আর্জেন্তিনা অধিনায়ক খোশমেজাজেই আছেন। আর্জেন্তিনার প্রচারমাধ্যমের খবর, অনুশীলনেও সেরাটাই দিচ্ছেন মেসি। যেমন মেসির পা থেকে পাওয়া গিয়েছে এক দুরন্ত ফ্রি-কিক। রবিবার আর্জেন্তাইন ফুটবল সংস্থার টুইট করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মেসির ফ্রি-কিক গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে পোস্টের কোণ ঘেঁষে জালে জড়িয়ে গিয়েছে।

রবিবার অনুশীলনে দলকে দু'টি ভাগে ভাগ করে খেলান আর্জেন্তিনার কোচ হর্হে সাম্পাওলি। প্রথম দলে ছিলেন ১৫ ফুটবলার। যাঁরা প্রধানত ডিফেন্ডার এবং ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডের জায়গায় খেলেন। অন্য দলে ছিলেন তাঁরা, যাঁদের ওপর আক্রমণের দায়িত্ব থাকবে। যে দলে স্বাভাবিক ভাবেই ছিলেন মেসি। সঙ্গে ছিলেন সের্খিয়ো আগুয়েরো, অ্যাঙ্খেল দি মারিয়ার মতো ফুটবলার।

রবিবারের অনুশীলনের পরে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল মেসির সেই জাদু ফ্রি-কিক। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ে মারা কিক হাওয়ায় বাঁক নিয়ে গোলে ঢুকে যায়। গোলকিপার কোনও সুযোগই পাননি বাঁচানোর। বার্সেলোনার প্র্যাকটিস মাঠে চলছে আর্জেন্তিনার শিবির। যেখান থেকে ৮ তারিখ মেসিরা উড়ে যাবেন জেরুসালেমে, ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে।


বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর দেহরক্ষী পর্তুগিজ বুলফাইটার !

বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর দেহরক্ষী পর্তুগিজ বুলফাইটার !




রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ফুটবলারদের উদ্দেশে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস একের পর এক হুমকি দিয়েছে। তাদের হুমকি পোস্টারে কখনও লিয়োনেল মেসি, কখনও বা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ছবি দেখা গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই যার কারণে এ বারের বিশ্বকাপ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

কিন্তু তাতেও বোধ হয় সন্তুষ্ট হতে পারেননি রোনাল্ডো। পর্তুগাল অধিনায়ক তাই বিশ্বকাপে নিজের জন্য নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থা করে ফেলেছেন। রাশিয়ায় রোনাল্ডোর সঙ্গে দেখা যাবে এমন এক জনকে, যিনি খালি হাতে ষাঁড়ের সঙ্গে লড়াই করে অভ্যস্ত। সোজা কথায়, পর্তুগালের এক বুলফাইটারকে দেহরক্ষী বানিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে আসছেন সি আর সেভেন!

ছ'ফুট দু'ইঞ্চি উচ্চতা, প্রাক্তন ফৌজি, মিক্সড মার্শাল আর্টসে পারদর্শী। নাম নুনো মারেকস। যিনি অবসর সময় রিংয়ে নামেন ষাঁড়ের মোকাবিলা করতে। তবে স্পেনে যেমন তলোয়ারের সাহায্যে হত্যা করা হয় ষাঁড়কে, পতুর্গালে ব্যাপারটা অন্য রকমের। এখানে খালি হাতে ষাঁড়ের মোকাবিলায় নামেন নুনো এবং তাঁর দল। ধেয়ে আসা ষাঁড়ের শিং ধরে লড়াই করেন নুনো। হাজার হাজার লোকের সামনে হত্যাও করা হয় না ষাঁড়কে। কিয়েভে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে এই নুনোকে দেখা গিয়েছে রোনাল্ডোর সঙ্গে। এ বার সেই দেহরক্ষীকে সঙ্গে নিয়েই রাশিয়া বিশ্বকাপে আসছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

কিন্তু কেন এক জন বুলফাইটারকে বেছে নিলেন রোনাল্ডো? ফুটবল মহাতারকার ঘনিষ্ট মহলের এক জন জানিয়েছেন, রোনাল্ডো বুলফাইট দেখতে অত্যন্ত পছন্দ করেন। সেখানেই নুনোকে দেখে তাঁর পছন্দ হয়েছে। ''পর্তুগালে নুনোকে অনেক লড়াইয়ে দেখে রোনাল্ডো। তার পরে ওর মনে হয়েছে, নুনোর মতো শক্তিশালী এবং লড়াকু লোক খুব কমই আছে। রোনাল্ডো ভালই জানে, নুনোর মতো কেউ পাশে থাকলে, কারও পক্ষে সম্ভব হবে না ওকে কিছু করার। কিয়েভে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের সময় নুনো ওর সঙ্গে ছিল। এ বার বিশ্বকাপেও থাকবে,'' বলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ঘনিষ্ট ব্যক্তি।

পর্তুগাল ইতিমধ্যেই তাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু করে দিলেও রোনাল্ডো এখনও শিবিরে যোগ দেননি। প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলেননি। দিন দুই আগেও তাঁকে দেখা গিয়েছে মালাগায় বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন। ইউরো চ্যাম্পিয়ন হলেও পর্তুগালকে কোনও বিশেষজ্ঞই বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার হিসেবে ধরছেন না। রোনাল্ডো কতটা দলকে টেনে নিয়ে যেতে পারেন, সেটা দেখতে মুখিয়ে অনেকেই।

মাঠের বাইরে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করেছেন রোনাল্ডো। এ বার মাঠের ভিতরে দলের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত করতে পারেন তিনি, সেটাই দেখার।  


নেইমার-ফিরমিনোর গোলে ব্রাজিলের জয়

নেইমার-ফিরমিনোর গোলে ব্রাজিলের জয়



তিন মাসের বেশি সময় পর মাঠে নেমেই জ্বলে উঠলেন নেইমার। করলেন চমৎকার এক গোল। জালের দেখা পেলেন আরেক ফরোয়ার্ড রবের্তো ফিরমিনোও। তাতে বিশ্বকাপ প্রস্তুতিপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
লিভারপুলের অ্যানফিল্ডে রোববার স্থানীয় সময় বিকালে শুরু হওয়া ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে তিতের দল। প্রথমার্ধে নিজেদের মেলে ধরতে না পারা দলটি দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নেইমারের গোলে এগিয়ে যায়। আর যোগ করা সময়ে ব্যবধান আরও বাড়ান আরেক বদলি খেলোয়াড় ফিরমিনো।   
ব্রাজিলের প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। বিরতির আগে তো তাদের চেনাই যায়নি। বল পেতেই লড়তে হচ্ছিল বাছাইপর্ব পেরিয়ে সবার আগে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকেট কাটা দলটিকে। দূরপাল্লার শটে দুবার চেষ্টা চালান ফিলিপে কৌতিনিয়ো; কিন্তু কোনোবারই তা লক্ষ্যে থাকেনি। 


তুলনায় ক্রোয়েশিয়ার খেলায় ছিল ছন্দ। মাঝমাঠে শক্তিশালী দলটি বেশ ভালো দুটি সুযোগও পেয়েছিল; কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিতে পারেনি তারাও।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই ফের্নানদিনিয়োকে তুলে নেইমারকে নামান কোচ। আর ৬০ তম মিনিটে গাব্রিয়েল জেসুসের বদলি নামেন ফিরমিনো।

৫২তম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল। কিন্তু প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে মার্সেলোর শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর ফরোয়ার্ড আন্তে রেবিচের প্রচেষ্টা রুখে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসন।

৬৯তম মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা মেলে। বার্সেলোনা তারকা কৌতিনিয়োর বাড়ানো বল ধরে বাঁ-দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে কিছুটা এগিয়ে এক ঝটকায় দুজনের মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যান নেইমার। সঙ্গে থাকা আরেক জনকে কোনো সুযোগ না দিয়ে জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার।


আন্তর্জাতিক ফুটবলে নেইমারের এটি ৫৪তম গোল। আর একটি গোল করলেই দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা রোমারিওকে স্পর্শ করবেন ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। শীর্ষ দুইয়ে আছেন যথাক্রমে কিংবদন্তি পেলে ও 'দ্য ফেনোমেনন' রোনালদো।


Saturday, June 2, 2018

আগামীকাল শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান টি২০ ক্রিকেট যুদ্ধ !

আগামীকাল শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান টি২০ ক্রিকেট যুদ্ধ !



বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে তাদের টি২০ ফরম্যাটে নিজেদের খুঁজে পেয়েছে  এবং নিদাহস ট্রফির অসাধারণ পারফরম্যান্স দলকে দিচ্ছে আত্মবিশ্বাস



 

অন্য দিকে সদ্য টেস্ট স্টেটাস পাওয়া আফগানিস্তান টি২০ তে অনেক ভালো দল এই মুহূর্তে তারা রাঙ্কিং বাংলাদেশ থেকে ধাপ উপরে

 

সদ্য সমাপ্ত আইপিএল দারুন পারফরম্যান্স করা বর্তমান সময় এর টি২০ রাঙ্কিং- সেরা বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন বিস্ময় লেগ স্পিনার রশিদ খান পার্থক্য করে দিতে পারে ম্যাচ এর



 

তবে দুদলের মধ্যে একমাত্র টি২০ সাক্ষাতে বিশ্ব কাপ ম্যাচে একপ্রকার হেসে খেলে আফগানিস্তান কে হারিয়ে ছিল বাংলাদেশ

এইবার এগিয়ে যাবার পালা শুভ কামনা বাংলাদেশ দলের জন্য

 

 

ম্যাচ তিনটি অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ৩,৫ ও ৭ ই জুন এবং সিরিজ এর সব কটি খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটা ! তিনটি ম্যাচ- অনুষ্ঠিত হবে দেরাদুনের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে